• ১৪ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Inauguration

উৎসব

বর্ধমানে ‘দূর্গা মাতা সঙ্ঘের’ কালীপুজোয় সাবেকিয়ানা ও বনেদীয়ানার মেলবন্ধন

১৭ বছরে পদার্পণ করলো ঐতিহ্যবাহী পুজো, মণ্ডপে ভগ্নপ্রায় জমিদারবাড়ির রূপে ফুটে উঠেছে বাংলার মাটির ঘ্রাণ।পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান শহরের বাজেপ্রতাপপুর সংলগ্ন হটুদেওয়ান এলাকার কালীপুজো এবারেও নজর কাড়ছে থিমে ও ভাবনায়। দূর্গা মাতা সংঘ এবারে তাদের কালীপুজোর ১৭তম বছরে পদার্পণ করলো। প্রতি বছরই অভিনব থিমের মাধ্যমে মাতৃ বন্দনাকে নতুন রূপে উপস্থাপন করে এই সংঘ। ২০২৫ এ তাঁদের থিমসাবেকিয়ানা ও বনেদীয়ানা, যার মর্মবাণীগ্রাম বাংলার বনেদীয়ানা, মাটির ঘ্রাণে মিশে যায়,সাবেকিয়ানায় মাতৃ বন্দনা, অন্ধকারে আলো ছায়।থিমের এই ভাবনা শুধু কথায় নয়, প্রতিটি ইট ও মাটির গায়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বাংলার ঐতিহ্যের ছোঁয়া। শিল্পীদের সৃজনশীলতায় মণ্ডপে উঠে এসেছে এক পুরানো ভগ্নপ্রায় জমিদারবাড়ির প্রতিরূপ। বাড়ির ছাদে গজিয়ে উঠেছে বটগাছ, যার ঝুরি নেমে এসেছে বারান্দা ছুঁয়ে, আর দেওয়ালের পলেস্তারা খসে পড়েছেসব মিলিয়ে যেন হারিয়ে যাওয়া সময়ের এক নিঃশব্দ গল্প বলা হচ্ছে মণ্ডপের দেওয়ালে দেওয়ালে।তবে শুধু প্রাচীনতার ছায়া নয়, ভগ্নপ্রায় জমিদারবাড়ির এই চেহারাকে ঢেকে দেওয়া হয়েছে আধুনিকতার কোমল পরশে। মণ্ডপের চারপাশে ফুলের সাজ, আলোর মেলা ও রঙিন ব্যাকড্রপে এক চমকপ্রদ রূপ পেয়েছে মায়ের আবাস। যেন অতীত ও বর্তমানের মিলন ঘটেছে এক মঞ্চেযেখানে ঐতিহ্যের গন্ধে ভরে উঠেছে আধুনিকতার আলো।রবিবার সন্ধ্যায় দূর্গা মাতা সংঘর এই পুজোর উদ্বোধন করেন বর্ধমান সদর দক্ষিণের মহকুমাশাসক বুদ্ধদেব পান। তিনি উপস্থিত সকলকে দীপাবলির অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান। সুন্দর পারিবারিক পরিবেশ ও সুন্দর প্রতিমা ও প্যান্ডালের ফুলের সাজ দেখে বর্ধমান সদর দক্ষিণের মহকুমাশাসক দূর্গা মাতা সঙ্ঘর ভুয়াশী প্রশংসা করেন। উদ্বোধন পর্বের পর পাড়ার কচিকাঁচা নিয়ে নাচ-গান-কবিতা সহ নানাবিধ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।দূর্গা মাতা সংঘ-র সম্পাদক তারকনাথ মুখোপাধ্যায় জনতার কথাকে জানান, সোমবার রীতি মেনে কালীপুজোর আয়োজন করা হবে, ভক্তদের উপস্থিতিতে মাতৃ আরাধনায় মুখরিত হবে গোটা এলাকা। মঙ্গলবার সংঘ-র সদস্য ও পরিবার বর্গের মধ্যে মায়ের ভোগ বিতরণ করা হবে। যেখানে প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ৮০০-র বেশি মানুষ মায়ের ভোগ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। পুজো পর্বের সমাপ্তি হবে বুধবারের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, যেখানে স্থানীয় প্রতিভা ছাড়াও বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করবেন।আয়োজক কমিটির সভাপতি শৈলেন্দ্র নাথ বিশ্বাস জানান, এই থিমের মাধ্যমে আমরা আজকের প্রজন্মকে স্মরণ করাতে চাই সেই গ্রাম বাংলার গরিমাযেখানে ছিল বনেদিয়ানা, ঐতিহ্য আর মাটির ঘ্রাণে ভরা এক সহজ সরল জীবন। আধুনিকতার ভিড়ে সেই আবেগ যেন হারিয়ে না যায়, সেটাই আমাদের প্রয়াস।স্থানীয় বাসিন্দারাও উচ্ছ্বসিত। স্থানীয় বাসিন্দা রীনা বোধক জানান, প্রতি বছর এই পুজো যেন গোটা এলাকাটাকে নতুনভাবে একত্র করে। শুধু দেবী বন্দনা নয়, আমাদের শিকড়কে মনে করিয়ে দেয় এই আয়োজন। আমরা গোটা পাড়া চারদিন হই-হই করে কাটিয়ে দিই। ২০২৫-র দূর্গা মাতা সংঘর থিমের শিল্পী সুব্রত বৈরাগী, এবং তাঁকে পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন সংঘ-র সক্রিয় সদস্য সৌম্য দাস।হরিনারায়নপুরের এই কালীপুজো আজ শুধুই ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এক সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রতীকযেখানে দেবী কালী যেন শুধু অন্ধকারের বিনাশিনী নন, বরং ঐতিহ্যের রক্ষাকর্ত্রী, যিনি মাটির গন্ধে মিশে আছেন গ্রামীণ বাংলার প্রতিটি প্রাণে।

অক্টোবর ১৯, ২০২৫
দেশ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরে ৫০০০ কোটির বেশি মূল্যের প্রকল্পের সূচনা করবেন

আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরে তেল ও গ্যাস, বিদ্যুৎ, সড়ক ও রেল খাতে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস, উদ্বোধন ও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন।১৯৫০ কোটি টাকার বেশি অর্থ বরাদ্দে তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোয় প্রধানমন্ত্রী বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলায় ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL)-এর সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন (CGD) প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঘরোয়া, বাণিজ্যিক ও শিল্পগ্রাহকদের PNG সংযোগ প্রদান করা হবে, রিটেল আউটলেটে CNG উপলব্ধ থাকবে এবং এই অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপুর-হলদিয়া প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইনের দুর্গাপুর থেকে কলকাতা পর্যন্ত ১৩২ কিমি দীর্ঘ অংশটিও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন, যা প্রধানমন্ত্রী উর্জা গঙ্গা (PMUG) প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত জগদীশপুর-হলদিয়া ও বোকারো-ধামরা পাইপলাইন প্রকল্পের অংশ। আনুমানিক ১,১৯০ কোটি টাকার এই প্রকল্পটি পূর্ব বর্ধমান, হুগলি ও নদিয়া জেলার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। স্থানীয়দের জন্য এই পাইপলাইন নির্মাণকালে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং এখন লক্ষাধিক পরিবারকে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে সহায়তা করবে।পরিবেশবান্ধব শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপুর স্টিল থার্মাল পাওয়ার স্টেশন এবং রঘুনাথপুর থার্মাল পাওয়ার স্টেশনে ফ্লু গ্যাস ডিজালফারাইজেশন (FGD) সিস্টেম সংযোজনের প্রকল্পটিও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন, যার আনুমানিক ব্যয় ₹ ১,৪৫৭ কোটি টাকা। এটি এলাকার পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।রেল পরিকাঠামো উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী পুরুলিয়া জেলার পুরুলিয়া-কোটশিলা রেললাইন দ্বিগুণ করার ৩৬ কিমি দীর্ঘ প্রকল্পটিও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন, যার ব্যয় প্রায় ৩৯০ কোটি। এই প্রকল্পটি জামশেদপুর, বোকারো ও ধানবাদের শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে রাঁচি ও কলকাতার সংযোগ উন্নত করবে, পণ্য পরিবহনের গতি বাড়াবে এবং শিল্প ও ব্যবসার ক্ষেত্রে লজিস্টিক্স সুবিধা উন্নত করবে।সেতু ভারতম প্রকল্পের অধীনে পশ্চিম বর্ধমানের তোপসি ও পাণ্ডবেশ্বরে নির্মিত দুটি রোড ওভার ব্রিজ (ROBs)-এর উদ্বোধনও প্রধানমন্ত্রী করবেন, যার মোট ব্যয় প্রায় ৩৮০ কোটি টাকা। এই সেতুগুলি রেল লেভেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা রোধ এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়তা করবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরে তেল ও গ্যাস, বিদ্যুৎ, সড়ক ও রেল খাতে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস, উদ্বোধন ও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন

জুলাই ১৭, ২০২৫
রাজ্য

জোকা-তারাতলা মেট্রো সপ্তাহে কদিন, কখন চলবে, কদিন বন্ধ থাকবে, রইল বিস্তারিত সূচি

জোকা-বিবাদী বাগ মেট্রো প্রকল্পের জোকা-তারাতলা রুটের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী সোমবার, ২ জানুয়ারি যাত্রী নিয়ে এই রুটে ছুটবে মেট্রো। জোকা থেকে তারাতলার দূরত্ব ৬.৫ কিলোমিটার। এই যাত্রাপথে মোট ছটি স্টেশন থাকছে জোকা, ঠাকুরপুকুর, সখেরবাজার, বেহালা চৌরাস্তা, বেহালা বাজার এবং তারাতলা। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জোকা-তারাতলা রুটে ট্রেন চলাচলের সংখ্যা, সময়সূচীও ঘোষণা করেছে। আপাতত একটি মেট্রো যাতায়াত করবে। জোকা-তারাতলা রুটে প্রতিদিন ১২টা করে মেট্রো চলাচল করবে। ৬টি আপে ও ৬টি ডাউনে মেট্রো চলবে। সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত পরিষেবা মিলবে। তবে শনিও রবিবার পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। ওয়ান ট্রেন সিস্টেম অর্থাৎ একটি ট্রেনই জোকা থেকে ছাড়বে। তা আবার তারাতলা থেকে ফিরবে। সর্বনিম্ন ভাড়া ৫ টাকা। সর্বোচ্চ ভাড়া ২০ টাকা।জোকা-তারাতলা রুটের সময়সূচি-সোমবার থেকে শুক্রবার অর্থাৎ সপ্তাহে ৫ দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫.৩০টা পর্যন্ত মেট্রো চলবে।জোকা থেকে মেট্রো ছাড়বে সকাল ১০ টা, সকাল ১১ টা, বেলা ১২ টা, দুপুর ৩ টে, বিকেল ৪ টে এবং বিকেল ৫ টায়।তারাতলা থেকে মেট্রো ছাড়বে সকাল ১০.৩০টা, সকাল ১১.৩০টা, বেলা ১২.৩০টা, দুপুর ৩.৩০টে, বিকেল ৪.৩০ টে এবং বিকেল ৫.৩০ টায়।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে শহরে সুপারস্টার অমিতাভ

২৮ তম কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধনে শহরে এলেন বলিউড সুপার স্টার অমিতাভ বচ্চন। তাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে আসেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। বৃহস্পতিবার বিকেলে নেতাজী ইনডোর স্টেডিয়ামে এই প্রোগ্রামের উদ্বোধন করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অনুষ্ঠানে বলিউডের সুপারস্টার শাহরুখ খান, জয়া বচ্চন, রানী মুখার্জি, শত্রুঘ্ন সিনহা, সহ এক ঝাঁক তারকার উপস্থিত থাকার কথা।কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের যাত্রা শুরু ১৯৯৫-এ। সত্যজিৎ রায়, ঋত্বিক ঘটক, মৃণাল সেন এবং বাংলার চলচ্চিত্রের মহীরুহদের পদচিহ্নে এই উৎসব আজ ভারত ছাড়িয়ে আন্তঃর্জাতীক সমাদর পেয়েছে। বিশ্ববরেণ্য বাংলা চলচিত্রকার-দের অনুপ্রেরণা ও অবদানে আজ কলকাতা চলচিত্র উৎসব আক্ষরিক অর্থেই আন্তঃর্জাতীক।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

কলকাতা ও শহরতলির বাসিন্দাদের চতুর্থীতেই পুজোর বড় উপহার, শহরে বাড়বে যোগাযোগের গতি

ইতিমধ্যে হেমন্ত সেতুর উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফের সুখবর কলকাতাবাসীর কাছে। একেবারে পুজোর উপহার! নবনির্মিত টালা সেতুতে বাস চলাচলের অনুমতি দিয়েছে পূর্ত দফতর। চতুর্থী থেকে ওই সেতুতে বাস চলাচল করবে। এর ফলে বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতার সঙ্গে শহরতলির যোগাযোগ ফের গতি পাবে। ব্যস্ততা কমবে বেলগাছিয়া থেকে শ্যামবাজারের রাস্তার। এই ঘোষণায় খুশি নিত্যযাত্রীরা।২২ সেপ্টেম্বর টালা সেতুর উদ্বোধন হয়। উদ্বোধনের ৪৮ ঘণ্টা পর শনিবার সকাল থেকে সেতুতে ছোট গাড়ি, যানবাহণের অনুমতি দেয় প্রশাসন। পুজোর মুখে চতুর্থী অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে টালা সেতুতে বাস চলার অনুমতি দিয়েছে পূর্ত দফতর। জানা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর পর থেকে এই সেতুতে ভারী যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। বাস চলাচলের অনুমতি দেওয়ায় পুজোর মরসুমে সুবিধা হবে সাধারণ যাত্রীদের। কলকাতা ও শহরতলীর বাসিন্দারা সহজে যাতায়াত করতে পারবে। ঘুর পথে গন্তব্যে যেতে হবে না। সময় সাশ্রয় হবে। শারদ উৎসব উপভোগ করতে পারবে কলকাতা ও শহরতলির বাসিন্দারা।প্রসঙ্গত, দক্ষিণে মাঝেরহাট ব্রিজ ভেঙে যেতেই উত্তরে টালা সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় ২০১৮-তে। ২০১৯ সালে পুজোর আগে রাইটস জানিয়ে দেয়, এই সেতুর অবস্থা ভাল নয়। ভেঙে নতুন করে সেতু নির্মান করা প্রয়োজন। এই রিপোর্ট পেতেই সেতু দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০২০-এর ফেব্রুয়ারিতে টালা সেতু ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এপ্রিলে শেষ হয়। নতুন সেতু নির্মাণের কাজ করে নির্মাণকারী সংস্থা লারসেন অ্যান্ড টুবরো লিমিটেড। ৭৫০ মিটার সেতু নির্মাণে খরচ হয়েছে ৪৬৮ কোটি টাকা।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২
কলকাতা

ক্ষেত্রী ফাউন্ডেশন এর নতুন উদ্যোগ

সল্টলেক সেক্টর ৫ এ উদ্বোধন হয়ে গেলো ক্ষেত্রি ফাউন্ডেশন এর নতুন কর্পোরেট অফিসের। এই অফিসের উদ্বোধন করেন রাজারহাট নিউ টাউন এর বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের তাপসবাবু বলেন, ক্ষেত্রি ফাউন্ডেশন মানুষের জন্য কাজ করবে। যেখানে গরিব মানুষের চিকিৎসা র প্রয়োজন যেখানে সাধারণ মানুষের আইনি পরামর্শ প্রয়োজন সেখানেই সম্পূর্ণ বিনা পয়সায় তাদের পাশে দাঁড়াবে এই ফাউন্ডেশন। এনাদের আমি বহুদিন চিনি বা জানি। এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই ক্ষেত্রি ফাউন্ডেশন এর মূল কর্ণধার ও আইনজীবি রাজেশ ক্ষেত্রি জানালেন আমি একজন আইনজীবি ও সমাজসেবী। রাজারহাটে থাকি।বহুদিন ধরে রাজারহাট ও নিউটাউন এলাকায় বহুদিন ধরে বিনা পয়সায় বিভিন্ন চিকিৎসা পরিসেবা দিয়ে আসছি। অনেকদিনের একটা ইচ্ছে ছিলো আমার একটা অফিস হোক। সেটাই আজ উদ্বোধন হলো। আমাদের পরিকল্পনা হল সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ফ্রি হেল্থ ক্যাম্প করবো। এর জন্য ভ্রাম্যমান গাড়ি থাকবে। গ্রামে গঞ্জে গরিব মানুষদের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করা হবে, আমাদের বিভিন্ন ডাক্তার আছে। তারা তাদের চিকিৎসা করবে। বিনামূল্যে ওষুধ দেবে। রাজারহাট এর বিভিন্ন এলাকা দিয়ে শুরু হবে এই মেডিক্যাল চেকআপ। এছাড়া যে কোনো গরিব মানুষের আইনি পরিসেবা দেওয়া হবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। দুর্বার মহিলা সমিতির শ্রমিকরা যাতে তারা সঠিক মর্যাদা পায় তাদের ও আমরা আইনি সাহায্য করছি। সবমিলিয়ে এই ক্ষেত্রি ফাউন্ডেশন সমাজসেবা মূলক কাজে নানাভাবে যুক্ত থাকবে। এই অফিসে ৪০ জন স্টাফ আছে যারা সবসময় এই কাজে সাহায্য করছেন ও করবেন। সাংবাদিক সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ক্ষেত্রি ফাউন্ডেশন এর পরিচালক দেবস্মিতা ভট্টাচার্য, আন্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং এর প্রধান দেবতোষ বসাক, কলকাতা পুলিশের প্রাক্তম কর্তা দীপক কুমার দত্ত, সিআইডি প্রধান সুজন ঘোষ সহ আরো অনেকে।

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজ্য

বিতর্কের মধ্যেই বিজয় তোরণের সামনে উন্মোচন রাজা-রানির মূর্তি

বিতর্কের মাঝেই উন্মোচন হল বর্ধমান শহরের বিজয় তোরণ তথা কার্জনগেটের সামনে রাজারানির মূর্তি। শনিবার বিকালে এই মূর্তি উন্মোচন করেন বিজয়চাঁদ মহতাবের প্রোপৌত্র জয়চাঁদ মহতাব।কার্জনগেটের পাশে বিকালে মণ্ডপ বেঁধে মূর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠান হয়। প্রথম থেকেই ছিলেন রাজা পরিবারের উত্তরসূরি তথা বিজয়চাঁদের প্রোপৌত্র জয়চাঁদ মহতাব। ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, উদ্যোক্তা তথা বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকার সহ অন্যান্যরা। তবে এই মূর্তি উন্মোচন ঘিরে বিতর্ক চলছিল। বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক কার্জনগেট থেকে বিসি রোডের দিকে যাওয়ার রাস্তায় কার্জনগেটে ঠিক নীচে মূল স্তম্ভের নীচে জায়গাটি এই কার্জনগেটেই বসানো হয় মহারাজা বিজয়চাঁদ ও মহারানী রাধারানি দেবীর মূর্তি। ইট সিমেন্ট দিয়ে কার্জনগেটের নীচে তৈরি হয় বেদী। মূল কার্জনগেট আড়াল করে মূর্তি বসানো নিয়ে সরব হয়েছেন শহরবাসীর একাংশ।

আগস্ট ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফুটবলে লাথি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির, জয় দিয়ে শুরু মহমেডানের

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হল ডুরান্ড কাপ ফুটবল। উদ্বোধনী ম্যাচে এফসি গোয়াকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করল মহমেডান স্পোর্টিং। একই সঙ্গে গতবছর ডুরান্ড কাপের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ নিল সাদাকালো ব্রিগেড।মঙ্গলবার যুবভারতীতে ফুটবলে শট মেরে ১৩১ তম ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তেওয়ারি। মহমেডানএফসি গোয়া ম্যাচের আগে দুই দলের ফুটবলারদের সঙ্গে পরিচয়পর্ব সারেন করেন মমতা ব্যানার্জি। ফুটবলারদের সঙ্গে হাতও মেলান। এবছর ডুরান্ড কাপে ২০টি দল অংশ নিচ্ছে। আইএসএলের ১১টি দলের সঙ্গে খেলছে আই লিগের ৫টি দল। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৪টি দলও অংশ নিচ্ছে। কলকাতায় যুবভারতী এবং কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে খেলা হবে। ইম্ফল এবং গুয়াহাটিতে খেলা হবে ডুরান্ডের ম্যাচ। ২৮ আগস্ট মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান।গত বছর ডুরান্ড ফাইনালে এফসি গোয়ার কাছে হারতে হয়েছিল মহমেডানকে। এদিন সাদাকালো ব্রিগেডের কাছে ছিল বদলার ম্যাচ। দারুণ ফুটবল উপহার দিলেন আন্দ্রে চেরনিশভের ফুটবলাররা। তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে গড়া এফসি গোয়া শুরু থেকেই দারুণ চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দিয়েছিল মহমেডানকে। গোয়ার ডিফেন্স ছিল যথেষ্ট শক্তিশালী। তিন বিদেশি নুরউদ্দিন, ওসমান ও মার্কাস জোসেফ প্রথমার্ধে গোয়ার জমাট ডিফেন্স ভাঙতে পারেনি। তার মাঝেই এগিয়ে যায় এফসি গোয়া। ৩৫ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে এফসি গোয়াকে এগিয়ে দেন নেমিল।সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ে মহমেডান। ৪৮ মিনিটে সমতা ফেরান প্রীতম। দ্বিতীয়ার্ধে মহমেডানের আক্রমণের ঝাঁঝ যথেষ্ট ছিল। ফজলুর ও আভাসদের মাঠে নামিয়ে দলকে বদলে দেন সাদাকালো কোচ চেরনিশভ। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয়। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে আভাসের সেন্টার থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফজলুর। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে ৩১ করেন মার্কাস জোশেফ।

আগস্ট ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নবরূপে সজ্জিত তাঁবুর উদ্বোধনে এসে মোহনবাগানকে ৫০ লাখ মুখ্যমন্ত্রীর

মোহনবাগান ক্লাবের মূল প্রবেশদ্বারে বড় বড় করে লেখা চুনী গোস্বামী। নতুনভাবে সেজে উঠেছে মোহনবাগান তাঁবু। আর সেই নবরূপে সজ্জিত তাঁবুর বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হাত দিয়ে। আর এই উপলক্ষ্যে এদিন চাঁদের হাট বসেছিল মোহনবাগান ক্লাবে।মুখ্যমন্ত্রী তাঁবুর উদ্বোধনে আসবেন। তাই এদিন সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনিতে ঘিরে ফেলা হয়েছিল ক্লাব সংলগ্ন এলাকা ও গোষ্ঠ পাল সরণি। মোহনবাগান ক্লাবের চারপাশও ছিল নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বাঁধা। নবরূপে সজ্জিত তাঁবুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে এদিন ক্লাবের প্রাক্তন অধিনায়কদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বেশকিছু খুদে শিক্ষার্থীও হাজির ছিল। ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে বিকেলে ক্লাবে ঢুকেই খুদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মেলান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তাদের সঙ্গে ছবিও তোলেন। খুদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছবি তোলার পর ক্লাব তাঁবু ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তারপর নতুন ভাবে সেজে ওঠা তাঁবুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি মঞ্চে ওঠেন। ক্লাবের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা মোহনবাগানের ঘরের ছেলে হিসেবে পরিচিত সুব্রত ভট্টাচার্য উত্তরীয় পরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বরণ করে নেন। ক্লাবের সহসচিব সত্যজিৎ চ্যাটার্জি মুখ্যমন্ত্রীর হাতে ক্লাবের আজীবন সদস্যপদ তুলে দেন। স্মারক তুলে দেন মোহনবাগান ক্লাব সচিব দেবাশিস দত্ত। পুস্পস্তবক তুলে দেন প্রদীপ চৌধুরি। ফুটবল উপহার দেন মানস ভট্টাচার্য। এরপর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মোহনবাগান স্পোর্টস লাইব্রেরি তৈরি করছে। ওদের এই উদ্যোগ দারুণ প্রশংসনীয়। মুখ্যমন্ত্রী এদিন একটি বলে অটোগ্রাফ দেন। সেই বলটি সংগ্রহশালায় রাখা হয়েছে।এদিন অনুষ্ঠানমঞ্চে হাজির ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তেওয়ারি, ক্লাবের সহসভাপতি অরূপ রায়, ফুটবল সচিব স্বপন ব্যানার্জি, মলয় ঘটক, কুণাল ঘোষ, অসিত চট্টোপাধ্যায়, শৌমিক বসু প্রমুখ। মুখ্যমন্ত্রী এদিন মোহনবাগানকে ক্লাবের উন্নতির জন্য ৫০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। কমনওয়েলথ গেমসে ভারোত্তলকে সোনা জয়ী অচিন্ত্য শিউলিকে ১৬ অগস্ট খেলা দিবসে সংবর্ধিত করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। স্কোয়াশে ব্রোঞ্জজয়ী সৌরভ ঘোষালকেও সংবর্ধনা দেওয়া হবে জানিয়েছেন।

আগস্ট ১০, ২০২২
দেশ

সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে নিশানা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম বাংলা সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৬টি অত্যাধুনিক ভাসমান আউটপোস্ট এবং ওয়াটার অ্যাম্বুল্যান্সের উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে হেলিকল্টারে তিনি উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে উড়ে যান। এদিনই বনগাঁর হরিদাসপুরে মৈত্রী সংগ্রহালয়ের শিলান্যাস করেন অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেই সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ ঘটে। তবে এবার যে অত্যাধুনিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার ফলে এই অনুপ্রবেশ এবং পাচার বন্ধ হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া অনুপ্রবেশ ও পাচার রোখা কঠিন বলেও মন্তব্য করেছেন শাহ। একইসঙ্গে এদিন তিনি সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ-এর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।এদিন সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর প্রশংসায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ-এর। অনুপ্রবেশ ও পাচারকারীদের রুখতে সচেষ্ট বিএসএফ। শুধু ফেন্সিং দিয়েই হবে না, দেশের সুরক্ষা দিতে পারে বিএসএফ। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে টহলদারির ওপর আরও বেশি জোর দিতে হবে।সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের কাজের পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে এর আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিরোধ বেধেছিল। এবিষয়ে ঘোরতর আপত্তি জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রসঙ্গও তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই সময় ভারতীয় সেনা ও বিএসএফের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন অমিত শাহ। এদিন বিকেলে শিলিগুড়িতে জনসভা ছাড়াও বেশ কয়েকটি সংগঠনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে অমিত শাহর।बीएसएफ की इन फ्लोटिंग सीमा चौकियों पर स्वास्थ्य सुविधाओं के लिए बोट एम्बुलेंस का भी शुभारंभ किया।किसी भी आपातकालीन स्थिति में ये बोट एम्बुलेंस बहुत सहायक सिद्ध होगी। pic.twitter.com/wNYjLkU0PD Amit Shah (@AmitShah) May 5, 2022এদিন এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমিত শাহর সফর নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি কেউ বলে বাংলায় গেল খুন হয়ে যাব। আমার গায়ে লাগে। উল্লেখ্য বাংলার রাজনৈতিক হিংসা প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।উল্লেখ্য, দেশের সীমান্ত এলাকাগুলিতে বিএসএফ-এর কাজের পরিধি বাড়াতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এক্ষেত্রে ঘোরতর অপত্তি রয়েছে বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যের। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে তাঁর আপত্তির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামিকাল, শুক্রবার কলকাতায় ফিরে দলের রাজ্য ও জেলাস্তরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

কাল বাংলায় সীমান্ত পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সুন্দরবনে ৬টি ভাসমান বিওপি ও বোট অ্যাম্বুলেন্সের সূচনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামিকাল এরাজ্যে আসছেন। তিনি বৃহ্পতিবার বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত পরিদর্শন করবেন। এই সফরে অমিত শাহ বিএসএফ-এর সুন্দরবনের জলে অবস্থিত ০৬ টি আধুনিক ভাসমান বিওপি-সতলজ, নর্মদা, কাবেরী, গঙ্গা, সবরমতি, কৃষ্ণা এবং বোট অ্যাম্বুলেন্স এর বিওপি হিঙ্গলগঞ্জে পৌঁছানোর পর উদ্বোধন করবেন। ভাসমান বিওপি উদ্বোধনের পর শ্রী শাহ বিওপি হরিদাসপুরে অবস্থিত মৈত্রী সংগ্রহালয় (জাদুঘর) এর উদ্বোধন করবেন।বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যবেক্ষণ ও সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বিএসএফের এবং সরকার তাই সেখানে আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের ওপর জোর দিচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সংলগ্ন আমাদের সীমান্তের সব বিওপিকে নজরদারি ও সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে শক্তিশালী করার ওপরও জোর দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের দুর্গম এলাকায় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের নজরদারি জোরদার ও মজবুত করতে ভাসমান বিওপির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের এই দুর্গম এলাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে বোট অ্যাম্বুলেন্সও চালু করা হচ্ছে যা সাহেব খালি থেকে শামসের নগর পর্যন্ত এলাকায় সেবা দেবে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে বিএসএফ-এর বীরত্ব সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে ফ্রেন্ডশিপ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং, আইপিএস, যোগেশ বাহাদুর খুরানিয়া, আইপিএস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, ইস্টার্ন কমান্ড এবং ডাঃ অতুল ফুলঝেলে, আইপিএস, ইন্সপেক্টর জেনারেল সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার উপস্থিত থাকবেন।

মে ০৪, ২০২২
কলকাতা

তৃণমূলের পরিবারটাই দল, আর বিজেপির দলই পরিবারঃ নাড্ডা

রাজ্যে ১৩০ জন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। আমি নিজে ১০০ জনের তর্পণ করেছি। এটা কোন বাংলা? বুধবার হেস্টিংসে অগ্রবাল ভবনে স্থিত দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে গঠিত নতুন নির্বাচনী দফতরের উদ্বোধন করেন জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন, মমতার আর এক নাম অসহিষ্ণুতা। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের আমলে অসহিষ্ণুতা বেড়েই চলেছে। বুধবার কলকাতা থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় বিজেপি ৯টি নির্বাচনী কার্যালয়েরও উদ্বোধন করেন নাড্ডা। এ দিন তিনি জানান, আগামী দিনে মোট ৩৮টি কার্যালয় তৈরি হবে। ই-লাইব্রেরি থাকবে প্রতি কার্যালয়ে। কনফারেন্স হল থাকবে। বড় সভা করার জায়গা থাকবে। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, পার্টি অফিস আর কার্যালয়ে অনেক তফাৎ। বিজেপি কার্যলয়ে বিশ্বাস করে। কার্যালয় আসলে সংস্কারের কেন্দ্র। আরও পড়ুন ঃ শ্বাসকষ্টের সমস্যার জের, হাসপাতালে ভরতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তিনি বলেন, তৃণমূলের কাছে পরিবারটাই দল আর বিজেপির কাছে দলই পরিবার। তাই নেতার বাড়ি থেকে নয়, কার্যালয় থেকে দল চালায় বিজেপি। এছাড়াও তাঁর বক্তব্য, লকডাউনে বিজেপি কর্মীরা ভাল কাজ করেছেন। রেশন বন্টন করেছেন বিজেপি কর্মীরা। আর সেই কর্মীদের বাধা দিয়েছে তৃণমূল। সবশেষে নাড্ডা আশ্বাস দেন, বাংলার সংস্কৃতিকে রক্ষা করার। পাশাপাশি এদিনও নাড্ডা দাবি করেছেন বাংলায় ২১-এর বিধানসভা ভোটে ২০০-র বেশি আসন নিয়ে জিতবে বিজেপি। সোনার বাংলাকে দুর্নীতি, ভাই-ভাতিজার রাজনীতি গ্রাস করেছে বলেও এদিন দাবি করেন তিনি। সরব হন তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতির বিপক্ষেও। রাজ্য সরকারকে কড়া সমালোচনা করে নাড্ডা বলেন, বাংলায় ১৩০ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। যখনতখন বিজেপি নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। যাঁরা সরকারের সমালোচনা করছেন, তাঁদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। অন্যদিকে, এদিন বেলা ১টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা হেস্টিংসে চলে আসেন জেপি নাড্ডা। সেখানে পৌঁছানো মাত্রই জেপি নাড্ডাকে কালো পতাকা দেখানো হয়। নতুন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় বেশকিছু মানুষ।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি নিজে খুন করে বলছে পুলিশ মেরেছেঃ মমতা

আসানসোলের রানীগঞ্জে প্রশাসনিক সভা শেষ করে ফেরার পথে দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারে নবনির্মিত সার্কিট হাউসের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ এরপর সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এটা তো তোমাদের অতিথিশালা। খড়্গপুর ও আসানসোলেও অতিথিশালা। তিনি আরও বলেন, ধংসাত্মক রাজনীতি করলে তা স্থায়ী হয় না। উন্নয়নমূলক রাজনীতি করলে তা স্থায়ী হয়। ধংসাত্মক রাজনীতি মানুষকে সর্বনাশের পথে নিয়ে যায়। আর উন্নয়নমূলক রাজনীতি মানুষের মন ভাল রাখে। তিনি আরও বলেন, বিজেপি পরিকল্পনা করে রাজ্যজুড়ে হিংসা করছে। আরও পড়ুন ঃ মেদিনীপুরে হঠাৎই দুয়ারে সরকার কর্মসূচির ক্যাম্প পরিদর্শনে মমতা আমার কোনও বড় কর্মসূচি থাকলে ওরা এই ধরণের পরিকল্পনা করে। আমি ময়নাতদন্তের রিপোর্টে পুলিশ ওই ধরণের বন্দুক ব্যবহার করে না। প্রচার করার জন্য লোককে মেরে ফেলল। একটা রাজবংশী ভাইকে মেরে ফেলল। মেরে ফেলে বলছে পুলিশ মেরেছে। বাংলায় গুন্ডারাজ চালাচ্ছে বিজেপি। আজকে সেইল, রেল বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। বিএসএনএল এবং অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, করোনা আমাদের গৃহবন্দি করেছে। এখন আমাদের জীবনবন্দি করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। সংগ্রামী আমার জীবন। এই সংগ্রাম জারি থাকবে ৷ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা তৃণমূল সমর্থকদের সাথে তিনি রাস্তায় নেমে হেঁটে এসে কর্মীদের সাথে তিনি কথা বলেন ৷

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

জয় হিন্দ সেতু উদ্বোধনে রেলকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর

মাঝেরহাট সেতু অর্থাৎ জয় হিন্দ ব্রিজের উদ্বো্ধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেল ৫টা ১৯ মিনিটে বোতাম টিপে ব্রিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। দুবছর পর চালু হতে চলেছে এই সেতু। এরপর ব্রিজের উপর নিজেই হেঁটে পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, রেল অনুমতি দিলে ৯ মাসেই চালু করা যেত ব্রিজ। রেলের কাছে বারবার দরবার করতে হয়েছে। রেল কেন আমাদের কাছ থেকে ৩৪ কোটি টাকা নিয়েছে? রেল কেন আমাদের থেকে টাকা নেবে? আমরা করব, আর নাম কিনবে ওরা? এমনকি টালা ব্রিজ ভাঙতেও টাকা নিয়েছে রেল। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের কাছে ব্রিজটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিয়ম মেনে যাতায়াত, হেলমেটহীন অবস্থায় বাইক না চালানো-সহ একাধিক আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে যোগাযোগের জন্য উড়ালপুল বা সেতু কত উপকারী, তা জানিয়ে যে কটি ব্রিজ তৈরির কাজ চলছে কলকাতায়, সেসব আরেকবার উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। নেতাজিকে শ্রদ্ধাপ্রদর্শনে তাঁর বিখ্যাত স্লোগানের নামেই এই সেতুর নামকরণ করার কথা আবার স্মরণ করিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, নেতাজির পদতলে এভাবেই শ্রদ্ধা জানালাম। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিজ পরিদর্শনে ছিলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম-সহ অনেক নেতা। আরও পড়ুন ঃ বাংলার কর্মসংস্থানের খতিয়ান তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী এদিন বিকেল থেকেই সাধারণ মানুষের ভিড় উপচে পড়ে। জানা গিয়েছে, অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে তৈরি হওয়া মাঝেরহাট ব্রিজে উন্নততর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। অত্যাধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নির্দশন হিসেবেই নির্মাণ করা হয়েছে ব্রিজে। অতিরিক্ত ওজন ব্রিজের উপর পড়লে জানিয়ে দেবে সেন্সর। এ ছাড়াও দুর্ঘটনা এড়াতে অত্যাধুনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এই ব্রিজে। থাকছে একাধিক ক্যামেরা। কলকাতায় এই প্রথম কোনও সেতু কেবলের সহযোগে নির্মিত। সূত্রের খবর, সেতুটি সর্বোচ্চ ৩৮৫ মেট্রিক টন ভার নিতে পারবে। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬৩৬ মিটার। চওড়া ১৬ মিটার। ব্রিজ খুলে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াতে সুবিধা হবে ও সময় কিছুটা সাশ্রয় হবে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
উৎসব

এপিজি মেমোরিয়াল অ্যাসোসিয়েশনের পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করলেন মোদি

হাওড়ার ইছাপুরের এপিজি মেমোরিয়াল অ্যাসোসিয়েশনের ১৬তম বর্ষের পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার মহাষষ্ঠীর সকালে এই পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রীর এই ভার্চুয়াল মাধ্যমে উদ্বোধন অনুষ্ঠান পুজো উদ্যোক্তাদের তরফ থেকে সরাসরি দেখার ব্যবস্থা করা হয়। এদিন পুজো মন্ডপের বাইরে এবং ইছাপুর শিয়ালডাঙা চৌরাস্তা মোড়ে এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে উদ্বোধনের সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। তবে বৃষ্টির কারণে পুজো প্রাঙ্গনে সোশ্যাল ডিসট্যান্স মেনে দর্শকদের বসার ব্যবস্থা করা হয়। এদিন ক্লাব প্রাঙ্গনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু , বিজেপি নেতা মনোজ পান্ডে, জেলা সদর বিজেপির সভাপতি সুরজিৎ সাহা, সাধারণ সম্পাদক নবকুমার দে সহ দলের জেলার কর্মকর্তারা। এছাড়াও ৯৭২৭২৯৪২৯৪ এই নম্বরে মিসড কলের মাধ্যমে এর সরাসরি সম্প্রচার ঘরে বসেই সকলের জন্য দেখার ব্যবস্থা করা হয়। এদিন সকলকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। আরও পড়ুনঃ কবিগুরুর দুঃসময় কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপ এদিনের অনুষ্ঠান শেষে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, আজকে প্রথমবার দেশের প্রধানমন্ত্রী বাঙালীর প্রধান উৎসবের সাথে যুক্ত হয়েছেন, এটা আপামর বাঙালির পক্ষে গর্বের বিষয়। তিনি আরো বলেন, মা দূর্গার হাতে অস্ত্র থাকবে না তা ঠিক নয়। তিনি অস্ত্রহীন দুর্গা ও মহরমের কারণে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন বন্ধ রাখা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেন। এর সাথে আগামী নির্বাচন বা রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই বলেই জানান তিনি। এদিনের অনুষ্ঠান দেখতে বহু মানুষ জড়ো হন। মানুষের মধ্যে বিপুল আগ্রহ দেখা যায়।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

একতার বার্তা দিয়ে ষষ্ঠীতে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদি

প্রথমে আপনাদের সকলকে জানাই দুর্গাপুজো, কালীপূজো ও দীপাবলির আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বাংলার এই পবিত্র ভূমিতে সকলের মধ্যে আজ আমি আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। বাংলায় বিজেপির উদ্যোগে যে দুর্গাপুজো হচ্ছে ইজেডসিসিতে, সেই দুর্গাপুজোর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই পুজো পরিচালনা করছে বিজেপির মহিলা মোর্চা। ষষ্ঠীর দিন দুপুর বারোটায় দিল্লি থেকে এই পুজো্র উদ্বোধন করেন। এদিন উদ্বোধনের আগে মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করেন বাবুল সুপ্রিয়। নৃ্ত্য পরিবেশন করেন ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় ও তাঁর সম্প্রদায়। তিনি আরও বলেন, আমি আজ দিল্লিতে নয়, মা দুর্গার শক্তি এবং বাংলার মানুষের ভক্তি দেখে আমার মনে হচ্ছে যে আমি বাংলার পুণ্যভূমিতেই যেন আছি। বাংলার লোক আমাকে আজ ডেকেছে তাঁদের মধ্যে। মা দুর্গার পর্ব সারাদেশের এক একতার ও পূর্ণতার পর্ব। বাংলার মানুষ বরাবরই বুদ্ধিজীবী এবং দেশকে গর্বিত করে তুলেছে এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস আছে যে তারা ভারতকে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে । বাংলার দুর্গাপুজো ভারতকে পূর্ণতা ও রঙে ভরিয়ে তোলে। বাংলার ঐতিহাসিক সম্পদ এই পুজো। ভারতমাতার যে ছবি আমরা দেখি তা এই বাংলারই ছেলে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা। বাংলার মধ্যে একটা তাগিদ আছে, বাঙালিদের উৎসাহ দেশকে প্রগতির রাস্তা দেখিয়েছে। আগামী দিনেও দেশের গর্ব বৃদ্ধি করবে বাংলার মানুষ। মোদি বলেন , বাংলায় মা দুর্গাকে ঘরে ঘরে কন্যারূপে পুজো করা হয়। সেই জন্য সব কন্যাকেই দুর্গার মত সম্মান প্রদান করা দরকার। মা দুর্গার মত সকল মা চায় যে, আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে আর এটা তখনই সম্ভব যখন সকল চাষী বন্ধুরা আত্মনির্ভর হবে। মা দূর্গা সকলের মধ্যেই লক্ষী রূপে বিরাজ করেন।তাই সকলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে, সম্পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে কাজ করতে হবে। মা দুর্গা আর মা কালীর কাছে প্রার্থনা করি যেন আমরা প্রতি বছর এই ভাবে মায়ের পূজা আর সেবা করে যেতে পারি। মায়ের দেওয়া মাথায় কাপড় তুলে নেরে ভাই- স্বাধীনতা আন্দোলনে বিপ্লবীদের একত্রিত করেছিল। আমাদেরও একত্রিত হয়ে থাকতে হবে। আরও পড়ুনঃ ছাড়লেন এনডিএ , একুশে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে ভোট ময়দানে বিমল গুরুং তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পে্র কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলার পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য, সংযোগ স্থাপনের উন্নতির জন্য লাগাতার কাজ করা হচ্ছে। কলকাতায় ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডোর প্রকল্পের জন্যও সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও মহিলাদের শক্তি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে। দেশের ২২ লক্ষ মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়ানো হয়েছে। ১২ সপ্তাহ থেকে ২৬ সপ্তাহ করা হয়েছে। বেটি বাচাও বেটি পড়াও প্রকল্পে জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনা, উজ্জ্বলা যোজনা ও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাংলায় কী কী কাজ হয়েছে, সেই পরিসংখ্যানও দেন তিনি। করোনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, করোনার মধ্যে দুর্গাপুজো হচ্ছে। সকলে সংযতভাবেই পালন করছে। এটাই তো উচিত। আয়োজন সীমিত হোক, কিন্তু উৎসব অসীম। এটাই তো বাংলার পরিচয়, বাংলার চেতনা। এটাই আসল বাংলা। তবে আপনাদের সকলকে অনুরোধ আপনারা মাস্ক পরে, দূরত্ব বজায় রেখে নিয়ম পালন করুন নিষ্ঠা রেখেই।

অক্টোবর ২২, ২০২০
রাজ্য

দুর্গাপুজোর ‘গাইড ম্যাপে’র উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে মঙ্গলবার সুতাহাটার সুবর্ণজয়ন্তী ভবনে আয়োজিত সমন্বয় সভায় হাজির ছিলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি দুর্গাপুজোর গাইড ম্যাপের উদ্বোধন করেন। পুজো কমিটিগুলোকে রাজ্য সরকারের ৫০ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়। তিনি এদিন বলেন, পুজো উদ্যোক্তাদের সরকারি ১১ দফা নির্দেশাবলী মেনে চলা কাম্য। পুজোর সময় সকলকে তিনি সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে চলতে বলেন। এছাড়াও মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করার নির্দেশ দেন। জেলাতে মৃত্যুর হার রাজ্য ও দেশের তুলনায় অনেক কম। সুস্থতার হার এ রাজ্যে দেশের তুলনায় অনেক বেশি। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ৩ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আমি নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলাম। বিধি মেনে ১৭ দিন পর এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি। প্রসঙ্গত , দিন কয়েক আগে করোনা মুক্ত হয়ে শুভেন্দু অধিকারী যান তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিতে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী, জেলাশাসক পার্থ ঘোষ, পুলিশ সুপার সুনীল কুমার যাদব প্রমুখ।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
কলকাতা

এবার ভার্চুয়ালি পুজো উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী

এবার কোভিড বদলে দিয়েছে সবকিছুই। তাই এবার সব পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন হবে নবান্ন থেকে। সোমবার নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের মুখপত্র জাগো বাংলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী , আগামী ১৬ অক্টোবর উত্তর কলকাতার প্রতিমা ভার্চুয়ালি উদ্বোধন হবে। তার পরেরদিন অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর দক্ষিণ কলকাতা এবং ১৮ অক্টোবর বেহালা ও যাদবপুরের প্রতিমা ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করা হবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন করোনা সংক্রমণ বাড়ছে,সংক্রমণ আটকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। পুজো প্যান্ডেলে যাওয়ার সময় মাস্ক পরুন। আরও পড়ুন ঃ বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড , পুড়ে ছাই প্লাস্টিক কারখানা তাঁর কথায় , প্রচুর মানুষ এই সময় কাজ হারিয়েছেন। অনেকেই আট মাস বাড়িতে বসে বসে ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছেন। তাই পুজো উপভোগ করুন। কিন্তু, বাড়ি থেকে বেরোবেন না। কোভিড প্রটোকল মেনে চলার জন্যও আবেদন করেন তিনি। মাইকে গানের পাশাপাশি কোভিড সতর্কতা জারির কথাও বলেছেন তিনি। পুজো কমিটিগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, মাস্ক না পরলে প্যান্ডেলে ঢুকতে দেবেন না। প্রয়োজনে প্যান্ডেলে ঢোকার সময় স্যানিটাইজার, মাস্ক দিন। ব্যবস্থাপনা দেখে বিশ্ববাংলা শারদ সম্মানে অতিরিক্ত পয়েন্ট দেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, দিল্লিতে একটা পুজোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে, অন্য রাজ্য তো দেয়ইনি, আমি কিন্তু দিলাম। বাংলায় পুজো হবে, কিন্তু সংক্রমণও আটকাতে হবে।

অক্টোবর ১২, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে পূর্ব বর্ধমানে দিনভর কর্মশালা, উপস্থিত জেলার বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকরা

গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অর্থ বরাদ্দের নিয়ম, প্রযুক্তিগত প্রয়োগ ও পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনানিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান: গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়নমূলক কাজের ধারাকে আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থের সঠিক ও সময়োপযোগী ব্যবহারের উপর জোর দিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। সোমবার, ২ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এবং STARPARD-এর উদ্যোগে আয়োজিত হল একদিনের বিশেষ কর্মশালা। জেলার সমস্ত সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও), যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, ব্লক তথ্যপ্রযুক্তি আধিকারিক-সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।কালনা গেটের এগ্রিকালচার ফার্মে অবস্থিত জেলা পঞ্চায়েত প্রশিক্ষণ ও সম্পদ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায়।কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থ কোন কোন ক্ষেত্রে এবং কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সরকারি নির্দেশিকা মেনে অর্থ ব্যয়ের নিয়মকানুন, বরাদ্দ অর্থ ব্যবহারের প্রযুক্তিগত ও প্রায়োগিক দিক এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আধিকারিকদের অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র জমা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিগুলির থিমভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ কীভাবে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও প্রশিক্ষকরা বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্থানীয় স্তরে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে কর্মশালায় উঠে আসে।বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে স্থানীয় উন্নয়নে জোর২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে স্থানীয় স্তরে উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়ানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থ যাতে আরও কার্যকরভাবে জনস্বার্থে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশ দেন প্রশিক্ষকরা।কর্মশালার সভাপতি তথা জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায় বরাদ্দ অর্থের সঠিক, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী ব্যবহারের জন্য সকল আধিকারিকের কাছে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু আধিকারিক স্তরেই নয়, গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও ধাপে ধাপে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার আওতায় আনা হবে।দিনভর চলা এই কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ ও অর্থ ব্যবহারের নিয়মাবলি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং যথাযথ ব্যবহারের পর প্রয়োজনীয় শংসাপত্র প্রদানের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নমূলক কাজে অর্থের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দীপাবলিতে বাজি না পোড়ানোর বার্তা দিতেই তীব্র আক্রমণ! মারাত্মক বিতর্কের মুখে বলি অভিনেত্রী দিয়া মির্জা

আদালতের নির্দেশে শব্দবাজি না পোড়ানোর বার্তা দেওয়াই যেন কাল হলো বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জার জন্য। দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে আমজনতার কাছে বিশেষ আবেদন জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল বৃহ্নমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। কিন্তু সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্কের ঝড়। মুম্বই বিজেপির সভাপতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে দীপাবলি পালন করতে হবে তা নিয়ে কারোর কাছে কোনো জ্ঞান শুনতে চান না তিনি। চমকপ্রদ বিষয় হলো, একই ধরনের সচেতনতামূলক ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল মাধুরী দীক্ষিত, অজিঙ্ক রাহানে এবং নিশিগন্ধা ওয়াডকে দিয়েও। কিন্তু বাকি তিন তারকার বিরুদ্ধে একটি কথাও না উঠলেও, আক্রমণের সমস্ত তির গিয়ে বিধেছে কেবল দিয়া মির্জার গায়েই।আসলে কিছু দিন আগেই পরিবেশ রক্ষা ও শব্দদূষণ রুখতে বম্বে হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, দূষণমুক্ত উৎসব পালনে পরিচিত মুখদের দিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালাক প্রশাসন। দিয়া মির্জা দীর্ঘ দিন ধরেই পরিবেশ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে সরব হন, সেই কারণেই হয়তো বিএমসি তাঁকে এই বার্তার জন্য বেছে নিয়েছিল। পুরনিগমের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশিত সেই ভিডিওতে দিয়া সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তাঁরা বাজি না ফাটান এবং উৎসবের নামে শব্দদূষণ থেকে বিরত থাকেন।কিন্তু এই ভিডিও সামনে আসার পরেই চরম ক্ষোভ উগরে দেন মুম্বই বিজেপির সভাপতি অমিত সাতনাম। সরাসরি দিয়াকে নিশানা করে তিনি স্পষ্ট জানান, কীভাবে উৎসব উদযাপন করা হবে তা অন্য কারো কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই, কারণ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গেই এই রীতিনীতিগুলি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। মজার বিষয় হলো, যে পুরনিগম ভিডিওটি তৈরি করেছে সেই বিএমসির দায়িত্বে বর্তমানে এই দলই রয়েছে। নিজেদের প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি ভিডিও হলেও বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করতেই তড়িঘড়ি দিয়া মির্জার বার্তাটি সোশাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলা হয়। ঠিক কী কারণে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলো তা নিয়ে বিএমসি মুখ খোলেনি, তবে মাধুরী বা রাহানের মতো অন্য তারকাদের ভিডিও কিন্তু এখনও পেজে বহাল তবিয়তে রয়েছে। এই পুরো ঘটনাটি কেন্দ্র করে বর্তমানে চরম শোরগোল মুম্বইয়ের রাজনীতিতে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাস কেলেঙ্কারিতে এবার ইন্দ্রনীল-কন্যা! স্ত্রীকে জেরার পর সোমবারই লালবাজারে তলব আভেরিকে, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর নাম করে ইউনেস্কোর লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার ও পাস বিক্রির বিরাট দুর্নীতি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। শনিবার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রীকে জেরা করার পর, এবার লালবাজার গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে তাঁর মেয়ে আভেরি সেন। সোমবারই তাঁকে লালবাজারে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছেন তদন্তকারীরা। লালবাজার সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও মোটা টাকার অসংগতিপূর্ণ লেনদেনের চরম সূত্র পেয়েছেন সিটের আধিকারিকরা। আর সেই টাকার উৎসের খোঁজ পেতেই আভেরিকে সামনাসামনি বসিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রাক্তন মন্ত্রীকে গরাদে পুরার তিন দিনের মধ্যেই শনিবার তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনকে লালবাজারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা করে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। পাস বিক্রির দায়িত্বে থাকা মাস আর্ট নামক সংস্থার সভানেত্রী ছিলেন মধুছন্দাদেবী। সংস্থার নানা নথিপত্রে তাঁর সই যেমন রয়েছে, তেমনই ইউনেস্কোর লোগো অবৈধভাবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পেছনেও তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। লালবাজারের দাবি, ইন্দ্রনীল সেনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সংস্থা থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে প্রায় ৬৬ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছিল এই মাস আর্ট সোসাইটিকে। এরপর সেই টাকার একটা বড় অংশ, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ২২ লাখ টাকা ঘুরপথে চলে যায় আইস্কেপ ও মায়রা নামের দুটি সংস্থায়। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এই দুটি সংস্থার পুরোটাই পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন ইন্দ্রনীলের কন্যা আভেরি।সেই জটিল আর্থিক লেনদেনের জাল গুটিয়ে আনতেই এবার সেন বাড়ির মেয়েকে তলব করল লালবাজার। তদন্তকারীদের সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সংস্থার কর্মীদের উপরও কড়া নজর রাখা হচ্ছে। খুব দ্রুত তাঁদের প্রত্যেককেও একে একে ডেকে জেরা করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বড় দুর্গোৎসবের উদ্যোক্তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন যে, ইউনেস্কোর লোগো দেখেই তাঁরা এই উদ্যোগে বিশ্বাস রেখেছিলেন। মাস আর্টের কর্মীরাই সরাসরি মণ্ডপে গিয়ে প্রিভিউ শো-এর সমস্ত বন্দোবস্ত করতেন। পরিবর্তে পুজো কমিটিগুলিকে সামান্য কিছু টাকা ও প্রবেশদ্বারে আলোর গেট বসানোর সুযোগ দেওয়া হতো। ওই বিজ্ঞাপনী গেট বাবদ দেড় থেকে দুলাখ টাকা হাতে পেলেও, কোটি কোটি টাকার পাস বেচে উদ্যোক্তাদের সামান্য কিছু টাকায় সন্তুষ্ট রাখা হয়েছিল বলে বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে লালবাজার। সোমবার ইন্দ্রনীল-কন্যার জেরার পর এই দুর্নীতিতে আরও বড় মাথার নাম সামনে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি কার জন্য? দিল্লির ব্যবসায়ীদের অভিযোগের জবাব দিলেন রাহুল

দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের জনসভাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। ওই সভার কারণে এক দিনেই ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করল দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠন। তাদের অভিযোগ, উৎসবের মরশুমের ঠিক আগে এই সভার আয়োজন করায় শহরের বহু বাজার বন্ধ রাখতে হয়েছিল। যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ জারি ছিল। ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসা থেকে শুরু করে পরিবহণ, হোটেল এবং পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতি হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দাবি, রবিবার ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের বড় সভার কারণে দিল্লির ব্যবসায়ীরা বিপুল লোকসানের মুখে পড়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, দীপাবলির আগে এই সভা না করার জন্য রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী নেতাদের কাছে বারবার আবেদন জানানো হয়েছিল। চিঠি লিখে তাঁদের অনুরোধ করা হয়েছিল, দীপাবলির পরে সভার আয়োজন করতে। কারণ, সভার জন্য যানজট এবং রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখা হয়নি বলে দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের।সংগঠনটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, রামলীলা ময়দানের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা একাধিক বড় বাজারে ব্যবসা বন্ধ ছিল। কাশ্মীরি গেট, মোরি গেট, চাঁদনি চক, চৌরি বাজার, খারি বাওলি, নয়া বাজার, সদর বাজার, আজমেরি গেট, দরিয়াগঞ্জ, পাহাড়গঞ্জ, কমলা মার্কেট, জামা মসজিদ, লাজপত রাই মার্কেট, তিলক বাজার, কনট প্লেস, গফ্ফর মার্কেট এবং করোল বাগের মতো এলাকার বাজারে এর প্রভাব পড়ে বলে দাবি করা হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির হিসাব বলছে, দিল্লির প্রায় তিন লক্ষ দোকানের মধ্যে আড়াই লক্ষ দোকান বন্ধ ছিল। এর ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসায় প্রায় ৮৮০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের।শুধু দোকানপাট নয়, পরিবহণ এবং পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। রামলীলা ময়দানের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকায় পরিবহণ ও পণ্য সরবরাহে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এ ছাড়া হাসপাতাল, হোটেল, রেস্তরাঁ এবং পর্যটন ক্ষেত্র মিলিয়ে আরও প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।সব মিলিয়ে এক দিনের জনসভার কারণে ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের। এই ক্ষতির দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।অন্য দিকে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এই অভিযোগের পাল্টা কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে দিল্লির ব্যবসায়ীদের ক্ষতির জন্য বিরোধীদের সভাকে দায়ী করা ঠিক নয় বলেই তাঁর বক্তব্য।ব্যবসায়ী সংগঠনের অভিযোগ এবং রাহুল গান্ধীর পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে ১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির হিসাব ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবি। এই অঙ্কের স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিনের সঙ্গীকেই আছড়ে দিল হাতি! আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে মাহুত হীরা

দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। সেই হাতির হামলাতেই গুরুতর জখম হলেন মাহুত হীরা রাভা। সোমবার সকালে আলিপুরদুয়ারের পানিঝোরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাঁকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর মেরুদণ্ডে চোট লেগেছে। শরীরের একাধিক হাড়েও চিড় ধরেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় বনকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আহত মাহুতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ।বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ ইস্ট দমনপুর রেঞ্জের চেকো বিটের পানিঝোরা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। চন্দন নামে একটি হাতিকে জঙ্গলে ঘোরানোর পর ডিপোয় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মাহুত হীরা। সেই সময় আচমকাই পিছন দিক থেকে হীরাকে ধাক্কা মারে হাতিটি। আচমকা এই আক্রমণে সামলে উঠতে পারেননি তিনি। গুরুতর জখম হন হীরা।ঘটনার পরেই ছুটে আসেন অন্য বনকর্মীরা। তাঁরা কোনও রকমে চন্দনকে ডিপোর ভিতরে আটকে রেখে আহত হীরাকে উদ্ধার করেন। এর পর তাঁকে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।হাসপাতালের অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ অনিন্দ্য সাহা জানিয়েছেন, হীরার শারীরিক অবস্থা বেশ গুরুতর। তাঁর মেরুদণ্ডে সমস্যা রয়েছে। এ ছাড়া শরীরের একাধিক হাড়ে চিড় ধরেছে। চিকিৎসকেরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করছেন।দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনার মুখে পড়লেন হীরা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বনকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ আহত মাহুতের চিকিৎসার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, হীরার সঙ্গে দেখা করে তাঁর চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে। আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহুতের শারীরিক অবস্থার দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

অন্ধ্রের দিকে ধেয়ে আসছে মুরাসু, বাংলায় সোমবার থেকে মঙ্গলবার কোথায় কোথায় বৃষ্টি?

ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মুরাসু। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার মাঝরাতের পর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের ওঙ্গোলের কাছে ঘূর্ণিঝড়টির আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলার আবহাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কি রাজ্যে দুর্যোগ নামবে?আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ মেঘলা থাকার পাশাপাশি কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। বিক্ষিপ্ত ভাবে এক-দুটি জায়গায় হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই।দক্ষিণবঙ্গেও সোমবার ও মঙ্গলবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।তবে ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার আশঙ্কা না থাকায় রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় আপাতত কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। অন্য দিকে, বঙ্গোপসাগরে সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার পর্যন্ত পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ প্রশাসন। সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আপাতত নজর রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ এবং উপকূলে আছড়ে পড়ার পরিস্থিতির দিকে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

মাঝরাতে মহাকরণের কাছে ভয়াবহ আগুন! পুড়ে ছাই অফিসের নথি, ঘটনাস্থলে ১০টি ইঞ্জিন

মাঝরাতে কলকাতার বুকে ফের অগ্নিকাণ্ড। মহাকরণের পিছনে বিবাদী বাগের লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় একটি বহুতলের অফিসে আগুন লাগল। রবিবার ভোররাতে এই ঘটনা নজরে আসে স্থানীয় বাসিন্দাদের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। আগুনে অফিসের বহু নথিপত্র ও কম্পিউটার পুড়ে গিয়েছে বলে খবর। কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দমকল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাকরণের ঠিক পিছনে লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় ওই বহুতলটি রয়েছে। সেখানে চার থেকে পাঁচটি সংস্থার অফিস রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রবিবার ভোররাত সাড়ে ৩টে নাগাদ বহুতলটি থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখেন আশপাশের বাসিন্দারা। এর পর দ্রুত দমকলে খবর দেওয়া হয়। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।আগুনের উৎস খুঁজতে এবং ভিতরে জমে থাকা ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে দমকল কর্মীরা বিশেষ যন্ত্র ও গ্যাস মাস্ক ব্যবহার করেন। সকালের দিকে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তার আগেই বহুতলের চারতলায় থাকা অফিসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।দমকল কর্মীদের দাবি, আগুনে অফিসের নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। কম্পিউটারও ভস্মীভূত হয়েছে। সকাল ৮টার পরেও বহুতলের কিছু জায়গায় আগুনের ছোট ছোট অংশ জ্বলছিল। সেগুলি নেভানোর কাজ চালান দমকল কর্মীরা। এর পর শুরু হয় ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া, যাতে ফের আগুন ছড়িয়ে পড়তে না পারে। অগ্নিকাণ্ডের খবর সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। কী কী নথি নষ্ট হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, দমকলের তরফে এখনও কোনও কারণ নিশ্চিত করা হয়নি। আগুন পুরোপুরি নিভে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে অগ্নিকাণ্ডের উৎস খোঁজা হবে। পাশাপাশি, বহুতলটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে বলে দমকল সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

দীর্ঘক্ষণ শৌচালয় থেকে বেরোলেন না, দরজা ভেঙে উদ্ধার দেহ! বিধানসভায় কী ঘটেছিল?

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার শৌচালয় থেকে এক ক্যান্টিন কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম উমেশ চন্দ্র। তাঁর বয়স ৪৬ বছর। তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে বিধানসভার ক্যান্টিনে কাজ করছিলেন। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা। তদন্তে পুলিশ কুকুরও নামানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ৯টা ১০ মিনিট নাগাদ বিধানসভার শৌচালয় থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার হয়। প্রতিদিনের মতো এ দিনও তিনি শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকক্ষণ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেননি। বিষয়টি নজরে পড়ে তাঁর সহকর্মীদের। তাঁরা ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাননি। এর পর সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে শৌচালয়ের দরজা ভেঙে ভিতর থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার করে।এর পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, উমেশের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তা হলে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।উমেশের এক সহকর্মীর দাবি, শৌচালয়ে গিয়ে কোনওভাবে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। পড়ে যাওয়ার সময় তাঁর মাথা বেসিনে লেগে থাকতে পারে বলেও জানান ওই কর্মী। তাঁর কথায়, উমেশের এক দাদা ও বৌদি রয়েছেন। তিনি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তবে ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

নভেম্বর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal